সরকারে গেলে মসজিদের খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জেনদের জন্য সম্মানির ব্যবস্থা করা হবে: তারেক রহমান
বার্তা সম্পাদক প্রকাশিত: ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ , ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার , পোষ্ট করা হয়েছে 4 months আগে
১৫ বছর মানুষ ভোট দিতে পারে নাই, এবারও ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, সরকারে গেলে মসজিদের খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জেনদের সম্মানির ব্যবস্থা করা হবে: সরাইলে জনসমাবেশে তারেক রহমান
এম এ করিম সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
অতীতে নিশি রাতে ভোট হয়েছে, মানুষ ভোট দিতে পারে নাই। এবারও ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আগামী ১২ তারিখে নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে সকলকে ফজরের নামাজ পড়তে হবে। নামাজ শেষ করে ভোট দেওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে যেতে হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল কুট্টাপাড়া খেলার মাঠে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারী) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আগামীতে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সরকার গঠন করা হলে চারদিকে রাস্থাঘাটের যে বেহাল দশা, এসব রাস্তার উন্নয়ন কাজ করা হবে। বেকার যুবকদের জন্য ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করা হবে। ফ্যামিল কার্ড প্রদানের মাধ্যমে ২০ কোটি মানুষের অর্ধেক নারী সমাজকে স্বচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। খাল কাটা কর্মসূচী শুরু করা হবে। কৃষক ভাইদের নানা সমস্যা সমাধান করা হবে। মসজিদের খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জেনদের জন্য সম্মানির ব্যবস্থা করা হবে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এ সময় বলেন, করব কাজ, গড়ব দেশ, সভার আগে বাংলাদেশ।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের মধ্যে ৪টি আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ২ আসনে খেজুর গাছ প্রতীকের জোটের প্রার্থী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে মাতাল প্রতীকে জোট প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার আহবান জানান।
এর আগে তিনি সিলেট শাহজালাল (র.) এর মাজার জিয়ারত করে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করেন। সিলেটসহ তিনটি জনসমাবেশে বক্তব্য শেষে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে সরাইল কুট্টাপাড়া খেলার মাঠে এসে পৌঁছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজের সঞ্চালনায় বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারী) বিকাল ৪টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা মুশফিকুর রহমান, জোট নেতা মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, জোট নেতা জোনায়েদ সাকি, বিএনপি নেতা এডভোকেট আব্দুল মান্নান ও বিএনপি নেতা এম এ হান্নান।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি মুনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনক ইসলাম শ্রাবণ, কেব্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুর রহমান রাকিব, বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জহিরুল হক খোকন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান শাহীন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য শেখ মোহাম্মদ শামীম, জেলা বিএনপির সদস্য আহসান উদ্দিন খান শিপন, সরাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিছুল ইসলাম ঠাকুর, জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মাস্টার, সরাইল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপু, বিএনপি নেতা মামুন হাসান, তকদির হোসেন জসিম, সাইদুল হক সাইদ, মাওলানা আবুল হোসেন, জমিয়তে ইসলামের জেলা সভাপতি আহসান উল্লাহ, বিএনপি নেতা শাজাহান সিরাজ, নজির উদ্দিন আহমেদ, শহীদ মুগ্ধের পিতা মোস্তাফিজুর রহমান,
বিএনপি নেতা এডভোকেট গোলাম সারওয়ার খোকন,
হেফাজত নেতা মাওলানা জহিরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা এডভোকেট আনিছুর রহমান মঞ্জু, এবিএম মমিনুল হক, এডভোকেট তরিকুল ইসলাম রুমা, জসিম উদ্দিন রিপন, আলী আজম, হেফাজত নেতা মুফতি বোরহান উদ্দিন কাসেমী, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মনির হোসেন, মাওলানা ইউসুফ ভূঁইয়া, জেলা যুবদলের সভাপতি শামীম মোল্লা, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মাহমুদ, মাইনুল হোসেন চপল, আলমগীর হোসেন, মিজানুর রহমান ও সরাইল উপজেলা জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম লাল বাদশা প্রমুখ।











আপনার মন্তব্য লিখুন