৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

EN

সরাইলে সাংবাদিক ও জনতার মুখোমুখি বিএনপি নেতা আহসান উদ্দিন খান শিপন

বার্তা সম্পাদক

প্রকাশিত: ৮:১০ অপরাহ্ণ , ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, শনিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 9 months আগে

সরাইলে সাংবাদিক ও জনতার মুখোমুখি বিএনপি নেতা আহসান উদ্দিন খান শিপন

এম এ করিম সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নতুন সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রমের টীম লিডার, জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য, অরুয়াইল আব্দুস সাত্তার ডিগ্রি কলেজের সভাপতি আহসান উদ্দিন খান শিপন এর উদ্যোগে সাংবাদিক ও জনতার সাথে মুখোমুখি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সরাইল জেলা পরিষদ মিলনায়তনে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক ও শিক্ষানবীশ আইনজীবি মো. জামাল হোসেন লস্কর।

 অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিক ও জনতাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের নানা সমস্যা ও জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে এসব সমস্যা সমাধান এবং নতুন নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএনপি নেতা আহসান উদ্দিন খান শিপন। পরে উপস্থিত সাংবাদিক ও জনতার নানা প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।  অনুষ্ঠানে স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক এবং বিভিন্ন চ্যানেল ও মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

আহসান উদ্দিন খান শিপন সাংবাদিক ও জনগণের প্রশ্নোত্তরে জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ নির্বাচনী এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে এ এলাকার  সমস্যা কি কি, কি কি করতে হবে  তা তার সব জানা।
তিনি নির্বাচিত হলে  সরাইল – আশুগঞ্জকে মনের মাধুলি দিয়ে  তার ক্ষমতা ও সাধ্য অনুযায়ী নির্বাচনী এলাকার জনগণের আশা আকাংখা  বাস্তবায়নে নিবেদিত হয়ে কাজ করবেন।
মুখোমুখি অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, শিক্ষক, সাধারণ জনগণ,  রাজনৈতিক নেতা বিভিন্ন উন্নয়নমুলক প্রশ্ন করলে আহসান উদ্দিন খান শিপন সন্তোষজনক উত্তর দেন।
অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্তাবধানে ছিলেন বিএনপি নেতা শাহ ওয়ালী উল্লাহ জাবেদ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন যুবদল নেতা সোহাগ, যুবদল নেতা জালাল, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা খসরু নোমান ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক জামাল হোসেন লস্কর প্রমুখ। ******************************************বিএনপি নেতা আহসান উদ্দিন খান শিপন কর্তৃক অনুষ্ঠানে পাঠ করা লিখিত বক্তব্যটি পাঠকদের জন্য হুবুহ তুলে ধরা হলো:

******************************************                   বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

প্রিয় সাংবাদিক বৃন্দ ও উপস্থিত সুধী মন্ডলী,

আসসালামু আলাইকুম।

শুভ অপরাহ্ন। শুভেচ্ছা নিবেন। আমি প্রথমেই শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর উত্তম, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে। বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছেন, গুম হয়েছেন, হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন, তাদেরকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। বিগত জুলাই বিপ্লবে যারা শহীদ হয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরন করেছেন এবং যারা ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ নির্মাণে প্রচেষ্ঠা করেছেন তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রইলো। বিভিন্নভাবে রাজপথে থেকে এবং অনলাইন ও অফলাইনে যারা যুদ্ধ করেছেন, তাদের প্রতি আমার সংগ্রামী সালাম।

প্রিয় সাংবাদিক বৃন্দ,

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি আহসান উদ্দিন খান শিপন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) নির্বাচনী এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি’র) মনোনয়ন প্রত্যাশী। বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কর্তৃক এই সংসদীয় আসনে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন প্রাপ্ত এবং রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক বৈধ ঘোষিত প্রার্থী ছিলাম। পরবর্তীতে দলীয় সিদ্ধান্তে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রাপ্ত প্রার্থীর পক্ষে এই সরাইল-আশুগঞ্জ এলাকায় কাজ করেছি এবং দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে আমরা সক্ষম হয়েছিলাম।

সম্মানিত সাংবাদিক বৃন্দ,

আমার পরিচয়, আমি আপনাদের এলাকার সন্তান। ঐতিহ্যবাহী সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের নোয়াগাঁও খান বাড়ি’র (পাঠান বাড়ি) সন্তান। আমার ছেলেবেলা পুরোটা সময়ই এই সরাইল অঞ্চলের মাটি ও মানুষের সাথে কেটেছে। প্রাথমিক শিক্ষা জীবন, নোয়াগাঁও পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক শিক্ষা জীবন কালিকচ্ছ পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা, সরকারি তোলারাম কলেজ, নারায়ণগঞ্জ, অনার্স ও মাষ্টার্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

সম্মানিত প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ,

নোয়াগাঁও ইউনিয়ন-ছাত্রদলের সদস্য হয়ে আমার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা শুরু ১৯৯০ সাল থেকে। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে স্কুলে পড়াকালীন সময়েই ছাত্রদলের সদস্য হয়ে মিছিল ও মিটিং এ অংশগ্রহণ করতাম। পরবর্তীতে কলেজ ছাত্রদল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে আমি সম্পৃক্ত হই। শুরুতে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ বিভাগের ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হই (১৯৯৪), এরপর পর্যায়ক্রমে, কবি জসিম উদ্দিন হল শাখা ছাত্রদলের (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই (১৯৯৯), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-ক্রীড়া সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সমাজ সেবা সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত ছিলাম। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপিতে এই পর্যন্ত তিনবার সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। সরাইল উপজেলা বিএনপিতেও তিনবার সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। এছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্দেশে দলের বিভিন্ন পর্যায়ে সাংগঠনিক কাজ জেলার টীম লীডারের দ্বায়িত্ব পালন করছি। করেছি। বর্তমানে দেশব্যাপী বিএনপির নতুন সদস্য সংগ্রহ ও সদস্য নবায়ন কার্যক্রম, ২০২৫, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

প্রিয় সাংবাদিক বৃন্দ,

আমার রাজনৈতিক জীবন কখনোই কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। রাজনীতির কন্ঠক পথ বেয়ে দীর্ঘ ৩১ বছর যাবৎ জেল-জুলুম, হুলিয়া, নানাবিধি নির্যাতন সহ্য করে ছাত্র রাজনীতি শেষে এখন বিএনপির রাজনীতিতে আমি স্বক্রিয় আছি। একেবারে তৃণমূলের সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা আমি আপনাদেরই সন্তান। সাধারণ মানুষের দুঃখ, কষ্ট, বেদনা এবং স্বপ্ন পূরণের আগ্রহ ও চেষ্টা দেখে দেখে আমি বড় হয়েছি। আমি সাধারণ মানুষের মৌলিক প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে দীর্ঘ সময় ধরে রাজনীতি করে যাচ্ছি। আমার নেতা, স্বাধীনতার মহান ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর উত্তম, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বলেছেন “জনগণ যদি কোনো রাজনৈতিক দল হয় আমি সেই রাজনৈতিক দলের কর্মী”। আমি শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শের একজন কর্মী হিসেবে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি এবং আপনাদের কর্মী হিসেবে। বাংলাদেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশের প্রথম মহিলা সরকার প্রধান, তিন তিন বারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, আপোষহীন মজলুম দেশনেত্রী, বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শিক রাজনীতির সারথী হয়ে কাজ করছি দীর্ঘদিন ধরে। আমার প্রিয়নেতা, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নির্দেশে, এই সরাইল-আশুগঞ্জ অঞ্চলে জনগণের দ্বারে দ্বারে, বারে বারে, আমি বিএনপি প্রণীত জাতির সামনে উপস্থাপিত ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার নীতির কার্যক্রম নিয়ে কাজ করছি। ইতিমধ্যে, সরাইল এবং আশুগঞ্জের জনগণ এবং আপনারা তা অবহিত আছেন।

প্রিয় সাংবাদিক বৃন্দ,

দীর্ঘ সময় ধরে দল এবং দেশের জন্য কাজ করছি। নিজের ব্যক্তিগত ও সামাজিক উচ্চাবিলাসী জীবন পরিত্যাগ করে জনগণের জন্য রাজনীতি করাই আমার লক্ষ্য। এই সরাইল ও আশুগঞ্জের মানুষের চাহিদা খুব বেশি নয়। জনগণ চায়, তাদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি যেনো সবসময় জনগণের মুখোমুখি থাকে এবং জনগণের জবাদিহিতার আওতায় থাকে। এটাই গণতান্ত্রিক চর্চার সৌন্দর্য। আমি এমন আদর্শকেই মনে প্রাণে লালন করি এবং সেই লক্ষ্যেই আজকে আপনাদের সামনে আমার পরিকল্পনা সমূহ পেশ করব।

প্রিয় সাংবাদিক বৃন্দ,

বক্তব্য দীর্ঘায়িত করে আপনাদের বিরক্তির কারণ হতে চাই না। যেহেতু আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী, তাই বিএনপি যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় এবং আমি যদি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হই তাহলে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী আমার পরিগল্পনা সমূহ ব্যায়বায়নের লক্ষ্যে জনগণকে সাথে নিয়েই কাজ করবো, ইনশাআল্লাহ।

আমার অঙ্গীকার ও খসড়া উন্নয়ন প্রস্তাবনাঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ)

১। সংবাদ ও সাংবাদিক সমাজ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূল কাঠামোর অন্যতম ভিত্তি। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন দুটি প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণ করে সরাইল ও আশুগঞ্জের সাংবাদিক সমাজের পেশাগত দক্ষতা ও জীবনমান উন্নয়ন করব।

২। সরাইল, কুট্টাপাড়া মাঠকে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক মানের স্টেডিয়ামে রূপান্তর এবং আশুগঞ্জে একটি আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণ করা, যেখানে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বিকাশের সকল সুযোগ-সুবিধা থাকবে।

৩। সরাইল ফুটবল একাডেমিসহ সকল ইউনিয়ন পর্যায়ের ফুটবল কে উন্নত করা। সমানভাবে সরাইল ও আশুগঞ্জকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার করা। ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাধুলার উন্নয়নে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা। দেশের ক্রীড়াঙ্গনের প্রতিটি সেক্টরে সরাইল ও আশুগঞ্জকে সমানভাবে সম্পৃক্ত করব।

৪। সরাইল ও আশুগঞ্জে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ প্রতিটি ঘরে ঘরে নিশ্চিত করে, তারপর জাতীয় গ্রীডে সরাইল ও আশুগঞ্জের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ করা।

৫। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে, সরাইল-আশুগঞ্জ সীমানায় প্রস্তাবিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করে স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করা।

৬। সরাইল ও আশুগঞ্জে আধুনিক ও প্রযুক্তি-নির্ভর কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।

৭। নতুন প্রকল্প গ্রহণ করে, সরাইল ও আশুগঞ্জের সড়ক ব্যবস্থাকে উন্নত করা।

৮। অরুয়াইল নদীবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন নদীবন্দরে রূপান্তরিত করা।

৯। সরাইল ও আশুগঞ্জে আধুনিক গণগ্রন্থাগার নির্মাণ করা।

১০। আশুগঞ্জ আন্তর্জাতিক নদীবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের বাণিজ্যিক নদীবন্দর হিসেবে গড়ে তোলা।

১১। কওমি ও আলিয়া শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক যুগের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুত করা।

১২। মসজিদ-মাদরাসার ইমাম, মোয়াজ্জিন ও আলেম-ওলামাদের সম্মানজনক বেতন/হাদিয়া নিশ্চিত করা। পাশাপাশি সকল ধর্মাবলম্বীর ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা রক্ষা করে সরাইল-আশুগঞ্জকে সম্প্রীতির মডেল অঞ্চলে রূপান্তর করা।।

১৩। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা। এই বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

১৪। নারী শিক্ষার প্রসারে মহিলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুগোপযোগী ও মানসম্মতভাবে গড়ে তোলা।

১৫। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকে অম্লান রাখার লক্ষ্যে, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ করা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান রক্ষা ও প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা।

১৬। বিগত ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মৃতির স্মৃতি রক্ষা ও আন্দোলনকারীদের প্রাপ্য সম্মান দেওয়া।

১৭। আজগঞ্জকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন আন্তর্জাতিক মানের বন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তোলা।

আশুগঞ্জ থেকে সোহাগপুর পর্যন্ত একটি ফ্লাইওভার নির্মাণ করা।

১৮। সরাইল বিশ্বরোড মোড়ে ত্রিলোপ সমৃদ্ধ ফ্লাইওভার এবং ভৈরব সেতুর আশুগঞ্জ অংশ থেকে সোহাগপুর

অঞ্চলকে শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা।

১৯। আশুগঞ্জ থেকে সরাইলের পানিশ্বর, আজবপুর, পাকশিমুল, অরুয়াইল পর্যন্ত বেড়িবাধ নির্মাণ করে এই অঞ্চলকে রক্ষা করা।

২০। সরাইল এবং আশুগঞ্জ অঞ্চলে তিতাস নদী খনন করে নৌ-রোড চালু রাখা।

২১। আশুগঞ্জে সবুজ প্রকল্প আবার চালু করা।

২২। সরাইল টু অরুয়াইল পর্যন্ত রাস্তাটি আরো প্রশস্তসহ আধুনিক ভাবে নির্মাণ করা।

২৩। মলাইশ থেকে শাহজাদাপুরের সড়কটি প্রশস্ত করা এবং পরিবেশ উপযোগী হিসেবে নির্মাণ করা।

২৪। সরাইল ও আশুগঞ্জের কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষ এবং ব্যবসায়ি সম্প্রদায়ের অধিকার নিশ্চিত করা।

২৫। যুব সমাজের কর্ম সংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরাইল ও আশুগঞ্জের আন্তর্জাতিক মানের ইপিজেড নির্মাণ করা।

২৬। সরাইল ও আশুগঞ্জকে নিরাপদ ও আধুনিক মানবিক জনপদে রূপান্তর করা। জীবনমান নিশ্চিত করা।

২৭। সরাইল ও আশুগঞ্জে শিক্ষার মান উন্নয়নকল্পে শিক্ষকদেরকে উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়া ও মর্যাদা সম্পন্ন করা।

২৮। সরাইল ও আশগুঞ্জের সরকারি হাসপাতালকে ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতালে রূপান্তর করা।

২৯। সর্বোপরি, সরাইল ও আশুগঞ্জের জনগণের চাহিদা অনুযায়ী রাজনৈতিক ও সামাজিক সৌহার্দ পূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে একটি নতুন শান্তিময় সমাজ বিনির্মাণ করা।

প্রিয় সাংবাদিক বৃন্দ ও সুধী মন্ডলী,

আমি স্বপ্ন দেখি এমন এক সরাইল ও আশুগঞ্জ, যেখানে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে, যেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, উন্নয়নসহ সব ভালো কিছুতে সবার অধিকারে থাকবে। আসুন আমরা এক সাথে কাজ করি, একটি নতুন দিনের সূচনা করি, একটি মানবিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ সরাইল-আশুগঞ্জ গড়ার শপথ করি। সবশেষে, আপনাদের দোয়া, সমর্থন ও ভালোবাসা কামনা করছি। মহান আল্লাহ তায়ালা আপনার, আমার এবং সকলের সহায় হোন, আমিন।

ধন্যবাদ সবাইকে।

বিনয়ান্তে,

আপনাদের,

বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ)

আহসান উদ্দিন খান শিপন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)

মোবাইলঃ ০১৮৮২-৩৯০৪৯০

নোয়াগাঁও, সরাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

 

د

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930  
আরও পড়ুন