৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

EN

সরাইলে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার অনুসারীদের ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ

বার্তা সম্পাদক

প্রকাশিত: ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ , ২৫ আগস্ট ২০২৫, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 10 months আগে

সরাইলে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার অনুসারীদের ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ

এম এ করিম সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে বিএনপির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যরিস্টার রুমিন ফারহানার ওপর হামলার অভিযোগে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন রুমিন ফারহানার অনুসারী বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মীরা।

এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. আতাউল্লাহসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন দলটির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুটি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুরে শুনানিকালে ধাক্কাধাক্কি-হাতাহাতি-কিল-ঘুষির পর একই দিন বিকালে এক পক্ষ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে ও অপর পক্ষ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরে প্রতিবাদ মিছিল করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে ঢাকা সিলেট মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সদস্য ও সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন মাস্টার  ও শাহবাজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমান মুন্সি।

অবরোধকারীরা মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে মহাসড়কের দুই দিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।  সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মোশারফ হোসাইন, সরাইল থানার ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী ও সরাইল খাটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলমের অনুরোধে পরে কর্মসূচি প্রত্যাহার করার ঘোষনা দেন বিএনপি নেতা মো. আনোয়ার হোসেন মাস্টার।

এ সময় আনোয়ার হোসেন মাস্টার বলেন, ব্যরিস্টার রুমিন ফারহানা শুধু আমাদের এলাকার নেত্রী নন, তিনি জাতীয় নেত্রী। তাঁর ওপর ঢাকায় হামলার প্রতিবাদে আমরা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছি। সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সরাইল থানার ওসি ও হাইওয়ে থানার ওসির অনুরোধে আজকে আমরা সরে এসেছি। যারা হামলা করেছে, তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে। না হলে পরবর্তী সময়ে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। এ সময় তিনি আরও বলেন, অতীতেও এ তিনটি ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে ছিল। ব্যরিস্টার রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন নিয়ে যে মতামত দিয়েছেন, আমরা তাঁর পক্ষে রয়েছি।

এদিকে ইসিতে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আতাউল্লাহসহ অন্য নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে দলটির নেতা-কর্মীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে বিক্ষোভ-সমাবেশ করার খবর পাওয়া গেছে। বিকেল ছয়টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে এ বিক্ষোভ হয়।

এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের যুগ্ম সমন্বয়ক সাহিল আহমেদ, সদস্য আসাদুজ্জামান, দ্বীন ইয়ামিন, আরিফ বিল্লাহ হাফেজী, কসবার যুগ্ম সমন্বয়ক মামুন বাতেন, আশুগঞ্জের সমন্বয়ক মো. ডালিম ও যুগ্ম সমন্বয়ক জয়ন্তী বিশ্বাস, নবীনগরের সমন্বয়ক আলমগীর হোসেন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার সভাপতি গাজী নিয়াজুল করিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এ কর্মসূচি থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগসহ বিএনপির নেতা রুমিন ফারহানার বিচারের দাবি করা হয়। এ সময় বক্তারা বলেন, ইসিতে রুমিন ফারহানার নেতা-কর্মীরা এনসিপির নেতা আতাউল্লাহ ও অন্য নেতা-কর্মীদের মারধর করেন। আতাউল্লাহর পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। তাঁর হাতে আঘাত করা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার তখন কোনো ব্যবস্থা নেননি। তাই প্রধান নির্বাচন কমিশনারেরও পদত্যাগের দাবি জানান এনসিপির নেতা-কর্মীরা।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930  
আরও পড়ুন