EN

নির্বাচন থেকে সরে দাড়াঁলেন লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জাপা নেতা এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এমপি

বার্তা সম্পাদক

প্রকাশিত: 9:16 pm , 8 February 2026, Sunday , পোষ্ট করা হয়েছে 8 months আগে

নির্বাচন থেকে সরে দাড়াঁলেন লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জাপা নেতা এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এমপি

এম এ করিম সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জাতীয়পার্টি নেতা ও সাবেক এমপি এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা।  রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষনা দেন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দী ৯জন প্রার্থীর মধ্যে বেশ কয়েকদিন তিনি নিয়মিত নির্বাচনী প্রচারনা চালিয়েছেন তবে আকস্মিক নির্বাচনের ৩দিন আগে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন।

এ ব্যাপারে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা জানান,  “আমি এড মোঃ জিয়াউল হক মৃধা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ এর ২৪৪ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগর আংশিক) নির্বাচনী এলাকার জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী।

ইতোমধ্যে আপনারা অবগত হয়েছেন যে গত ৫ আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী সময়ে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে আমাকে তিনটি মামলায় আসামী করে নিজ এলাকা থেকে বিতাড়িত করা হয়। যদিও ঐসকল মামলার ঘটনার সাথে আমার কোন প্রকার সম্পৃক্ততা ছিল না। এমনকি মামলায় উল্লিখিত সময়ে আমি সংসদ সদস্য পদেও অধিষ্ঠিত ছিলাম না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাকে আমার দল জাতীয় পার্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিলে, আমার আইনী বাধ্যবাধকতার কারণে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করা সম্ভব হয়নি। আমার পক্ষে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

আমার প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণার পর আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হলে আমাকে ও আমার নেতাকর্মীদেরকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিভিন্ন মহল থেকে ভয়-ভীতি ও গ্রেফতারের হুমকি প্রদর্শন শুরু করে যা অদ্যাবধি চলমান। যার ফলে আমি অন্যান্য প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীদের মতো সম্পূর্ণ স্বাধীন ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারছি না। এমন প্রতিকূল পরিবেশে আমি আমার দলের সকল নেতাকর্মীর সিদ্ধান্তক্রমে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর মত কঠিন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি।

লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও জানান, সাংবাদিক, আমার আবেগপ্রবণ ভোটার, শুভাকাঙ্ক্ষী, আত্মীয়-স্বজন ও নেতা-কর্মীদের আমার পাশে থাকার জন্যে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং এই অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমার নির্বাচনী এলাকার সকলের নিরাপত্তা, সুস্বাস্থ্য ও শান্তি কামনা করছি। সকলের নিকট আমার জন্য দোয়া ও আশীর্বাদ প্রার্থনা করছি।”

সর্বশেষ এ আসনে মোট ৮জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এদের মধ্যে বিএনপি জোট মনোনীত জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব খেজুর গাছ প্রতীকে, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসম্পাদক (বর্তমানে বহিস্কৃত) ও সাবেক এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হাঁস প্রতীকে,  কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক (বর্তমানে বহিস্কৃত) এস এন তরুন দে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কলার ছড়ি প্রতীকে, ১১ দলীয় জোট মনোনীত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মাওলানা আশরাফ উদ্দীন মাহদী শাপল কলি প্রতীকে, তৈমুর রেজা শাহজাদা তারা প্রতীকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হাফেজ ক্বারী নেছার আহমেদ হাত পাখা প্রতীকে, মো. মাইন উদ্দীন আপেল প্রতীকে ও  আম জনতা পার্টির প্রার্থী শরীফা আক্তার প্রজাপতি প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ৪৯৪জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২লক্ষ ৫৯ হাজার ৬৮৭জন, মহিলা ভোটার ২ লক্ষ ৩৩ হাজার ৮০৫জন ও  হিজড়া ভোটার ২জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১৫১টি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
আরও পড়ুন