২রা ডিসেম্বর, ২০২১ ইং | ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

EN

সরাইলে ৪ মাস ধরে নিখোঁজ মেয়ে গোলশানকে ফিরে পেতে অসহায় পিতার আর্তনাদ, কান্না থামছে না অবুঝ দুই শিশুর

বার্তা সম্পাদক

প্রকাশিত: ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ , ২৯ আগস্ট ২০২১, রবিবার , পোষ্ট করা হয়েছে 3 months আগে

1630167906-picsay

সরাইলে ৪ মাস ধরে নিখোঁজ মেয়ে গোলশানকে ফিরে পেতে অসহায় পিতার আর্তনাদ, কান্না থামছে না অবুঝ দুই শিশুর

এম এ করিম সরাইল নিউজ ২৪.কমঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বিটঘর গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার মেয়ে গোলশান(৩৩) বিগত ৪ মাসেরও অধিক সময় ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। দীর্ঘ সময় ধরে নিখোঁজ মেয়ের সন্ধান পেতে আর্তনাদ করছেন অসহায় পিতা জাহাঙ্গীর মিয়া। এদিকে মাকে ফিরে পেতে কান্না থামছে না  নিখোঁজ গোলশানের দুই শিশু সন্তান ফারুক(১১) ও কুলসুমের(৯)। স্বজনদের মাঝে বিরাজ করছে উদ্বেগ- উৎকন্ঠা।
নিখোঁজের পরদিন গোলশানের পিতা জাহাঙ্গীর মিয়া সরাইল থানায় জিডি করেছেন। জিডি নং- ১০২২, তারিখঃ ২২/০৪/২০২১

লিখিত জিডিমূলে জানা যায়, গোলশানের  ইটালী প্রবাসী  স্বামীর পাঠানো ১লক্ষ ১৫ হাজার টাকা উত্তোলণ  করতে গত ২১/০৪/২০২১ তারিখে পিত্রালয় বিটঘর থেকে আশুগঞ্জ ইসলামী ব্যাংক শাখায় যান গোলশান। দুপুরের দিকে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে  ফেরার পথে নিখোঁজ হন গোলশান। অনেক খোঁজাখোঁজি করেও গুলশানের কোনো সন্ধান পাননি স্বজনরা।

দীর্ঘ ৪ মাসের অধিক সময় ধরে নিখোঁজ গোলশানের পিতা জাহাঙ্গীর মিয়া সন্দেহ করছেন ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা টাকা হস্তগত করতে গোলশানকে জোরপূর্বক ভয়ভীতি দেখিয়ে অপহরণ করেছেন তার নিকটাত্বীয়রা। গোলশানকে খুন করে লাশ গুম করারও সন্দেহ করছেন তিনি। এ ব্যপারে গত ২৬/০৮/২০২১ তারিখে গোলশানের পিতা জাহাঙ্গীর মিয়া বাদী হয়ে তার নিকটাত্বীয় রবি মিয়া, হারিছ মিয়া, আনছর আলী, আঃ কাদির ও আক্কাছ আলীসহ মোট ৫ জনকে আসামী করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট এর আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডিকে দায়িত্ব দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

মেয়ের শোকে কাতর গোলশানের পিতা জাহাঙ্গীর মিয়া ও মায়ের জন্য পাগলপ্রায় অবুঝ শিশু ফারুক ও কুলসুমসহ স্বজনরা নিখোঁজ গোলশানের সন্ধান পেতে আকুতি জানিয়েছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

ডিসেম্বর ২০২১
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« নভেম্বর    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
আরও পড়ুন