২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

EN

সরাইলে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১২ সদস্যের অনাস্থা, আইন বহির্ভূত দাবি পূরণ না করায় মেম্বারগণ ক্ষুদ্ধ দাবি চেয়ারম্যানের।

বার্তা সম্পাদক

প্রকাশিত: ৭:৪৯ অপরাহ্ণ , ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার , পোষ্ট করা হয়েছে 2 years আগে

 

সরাইলে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১২ সদস্যের অনাস্থা, আইন বহির্ভূত দাবি পূরণ না করায় মেম্বারগণ ক্ষুদ্ধ দাবি চেয়ারম্যানের।

এম এ করিম নিউজ ডেস্ক ঃ

বিভিন্ন অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসদাচরণের
অভিযোগ তুলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউপি চেয়ারম্যান মো. কাউছার হোসেনের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব করেছেন ১২ ইউপি সদস্য।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের স্বাক্ষর করা অনাস্থা প্রস্তাব সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মো.আরিফুল হক মৃদুলের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

অনাস্থা প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, চেয়ারম্যান কাউসার হোসেন জন্মসনদ বাবদ ৫০ টাকার পরিবর্তে ৩শ থেকে ৫শ টাকা, সাব মার্ছিবল টিউবওয়েল প্রদানে সরকার ফি উপেক্ষা করে প্রত্যেক গ্রহীতা ব্যক্তির কাছ থেকে ১৮ হাজার টাকা, ইম্প্রোভমেন্ট টয়লেটের জন্য ৩০ হাজার টাকা, ওয়ারিশ সনদের জন্য ৫ শ টাকা করে নিচ্ছেন।

তিনি স্বেচ্ছাচারিতাযর মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। করোনা মহামারীর সময়ে অর্থ আত্মসাৎ, ইউনিয়ন পরিষদের রেজুলেশন খাতায়, বিভিন্ন বিল ভাউচারে টাকা উল্লেখ না করে ভয়ভীতি দেখিয়ে সদস্যদের স্বাক্ষর নিচ্ছেন।

এছাড়া বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের টাকা খরচ না করে আত্মসাৎ, ইউপি সদস্যদের সাথে দূর্ব্যবহার ও গণ-স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকান্ডের অভিযোগ আনা হয়েছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

অনাস্থা প্রস্তাবের বিষয়ে পাকশিমুল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান মাদারী
বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব বেশী টাকা ছাড়া নিবন্ধন দেয় না। চেয়ারম্যানের সব অনিয়মের বিচার চান তিনি।

৭,৮,ও ৯ নং ওয়ার্ডের সদস্য জুরবানু বেগম বলেন, ৮ শ টাকা ছাড়া চেয়ারম্যান সাহেব জন্মনিবন্ধন সনদে সই করেন না। বলেন, টাকা ছাড়া আমি সাইন করি না। নানা ভয়ভীতি দেখান আমাদেরকে। তাই আমরা তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছি।

৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হাসান ভূঁইয়া বলেন, আমি একটি জন্মনিবন্ধন সনদের জন্য ৭শ টাকা দেওয়ায় চেয়ারম্যানের ভাতিজা আমাকে গালিগালাজ করে। চেয়ারম্যানের কাছে গালিগালাজের বিচার দিলে উনি আমাকে পরিষদ থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়ে বলেন, এই পরিষদে তোরে যেন আর না দেখি।

অনাস্থা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে পাকশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাউসার হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ইউপি সদস্যদের আইন বহির্ভূত আবদার পূরণ না করায় তারা আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন । তারা ১৫ বছরের মেয়েকে ১৮ বছর বানিয়ে জন্মনিবন্ধন দিতে বলেন। আমি এই অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তারা আমার প্রতি ক্ষুব্ধ।

সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুর হক মৃদুল বলেন, এটা অফিসিয়ালি অনাস্থা হয়নি। তারপরও আমরা যেহেতু এটা পেয়েছি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেবো।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

July 2024
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
আরও পড়ুন