নিচু ভূনিতে ঘর নির্মাণ সরাইলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে কোমর পানি, অনাহারে বাসিন্দারা

এম এ করিম

 সরাইল(ব্রাহ্মণবাড়িয়া) ঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আইরল গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পে গৃহহীনদের জন্য নির্মিত ১০টি ঘরের ভিতরে বন্যার পানি কোমর পানি থেকে কিছুটা কমলেও এখনো ঘরের ভিতর হাঁটুর উপরে পানি রয়েছে। প্রকল্পের এ সব ঘরে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি সম্পূর্ণ পানিতে ডুবে গেছে। ওই এলাকার কোনো বাড়িতে পানি না ওঠলেও আশ্রয়ণের ঘরগুলো পানিতে ভাসছে। নিচু জমিতে ঘরগুলো তৈরি করায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। আইরল আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা মোঃ কুতুব মিয়া (৬০) ও তাবারক মিয়া (৪৫) বলেন, আশ্রয়ণের বাড়িগুলো বানানো হয়েছে আশপাশের বাড়ি থেকে অনেক নিচু জমিতে। সেজন্য আশেপাশের বাড়িঘরে পানি না উঠলেও আমাদের ঘরের ভিতর পানি। আমরা ঘরের ভিতরে বাঁশের মাচা বানিয়ে থাকি। বাথরুম, টিউবওয়েল সবই পানির নিচে। এমন অবস্থায় না খেয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে আছি আমরা। এখন পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি কোনো ধরণের ত্রান আমরা পাইনি। চেয়ারম্যান মেম্বার এসে দেখে গেছেন। কবে যে ত্রাণ দিবে আল্লাহ জানে। এব্যাপারে নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনসুর আহমেদ বলেন, এখনো কোন ত্রাণ দেওয়া হয়নি। ৩০টি শুকনো খাবারের প্যাকেট পেয়েছি। আমার এলাকায় প্রকল্পে ঘর রয়েছে ৩৮টি। আমরা যাচাই-বাছাই করে যারা পাওয়ার যোগ্য তাদেরকে দিয়ে দেব।"/>

১১ই আগস্ট, ২০২২ ইং | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

EN

সরাইলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে কোমর পানি, অনাহারে বাসিন্দারা

বার্তা সম্পাদক

প্রকাশিত: 8:36 pm , 29 June 2022, Wednesday , পোষ্ট করা হয়েছে 1 month আগে

নিচু ভূনিতে ঘর নির্মাণ
সরাইলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে কোমর পানি, অনাহারে বাসিন্দারা

এম এ করিম

 সরাইল(ব্রাহ্মণবাড়িয়া) ঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আইরল গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পে গৃহহীনদের জন্য নির্মিত ১০টি ঘরের ভিতরে বন্যার পানি কোমর পানি থেকে কিছুটা কমলেও এখনো ঘরের ভিতর হাঁটুর উপরে পানি রয়েছে। প্রকল্পের এ সব ঘরে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি সম্পূর্ণ পানিতে ডুবে গেছে। ওই এলাকার কোনো বাড়িতে পানি না ওঠলেও আশ্রয়ণের ঘরগুলো পানিতে ভাসছে। নিচু জমিতে ঘরগুলো তৈরি করায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

আইরল আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা মোঃ কুতুব মিয়া (৬০) ও তাবারক মিয়া (৪৫) বলেন, আশ্রয়ণের বাড়িগুলো বানানো হয়েছে আশপাশের বাড়ি থেকে অনেক নিচু জমিতে। সেজন্য আশেপাশের বাড়িঘরে পানি না উঠলেও আমাদের ঘরের ভিতর পানি। আমরা ঘরের ভিতরে বাঁশের মাচা বানিয়ে থাকি। বাথরুম, টিউবওয়েল সবই পানির নিচে। এমন অবস্থায় না খেয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে আছি আমরা। এখন পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি কোনো ধরণের ত্রান আমরা পাইনি। চেয়ারম্যান মেম্বার এসে দেখে গেছেন। কবে যে ত্রাণ দিবে আল্লাহ জানে।

এব্যাপারে নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনসুর আহমেদ বলেন, এখনো কোন ত্রাণ দেওয়া হয়নি। ৩০টি শুকনো খাবারের প্যাকেট পেয়েছি। আমার এলাকায় প্রকল্পে ঘর রয়েছে ৩৮টি। আমরা যাচাই-বাছাই করে যারা পাওয়ার যোগ্য তাদেরকে দিয়ে দেব।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আর্কাইভ

আগষ্ট ২০২২
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
আরও পড়ুন